March 24, 2026, 6:43 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

ছত্রাক যেভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে

ছত্রাক যেভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে

ডিটেকটিভ লাইফস্টাইল ডেস্ক

এইডসে আক্রান্ত রোগী কিংবা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পর যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে গেছে এমন মানুষের জন্য কিছু বিশেষ ধরনের ছত্রাক হতে পারে প্রাণঘাতী।

স্বাস্থ্যবান মানুষের শরীরে জীবানু প্রবেশ করলে তেমন গুরুতর সমস্যা দেখা দেয় না কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার থাকে। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম তাদের জন্য ছত্রাকের আক্রমণ হতে পারে বিপজ্জনক- জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ জেনা’র গবেষকদের করা পরীক্ষায় এরকম তথ্যই পাওয়া গিয়েছে।

‘অ্যাসপারগিলাস ফামিগেটাস’ নামক ছত্রাক কীভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পরাজিত করে প্রাণঘাতী সংক্রমণ সৃষ্টি করে তা আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা।

এই ছত্রাকের রোগাক্রান্ত করার ক্ষমতা বা ‘প্যাথোজেনিসিটি’র পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হল ‘গ্লিওটক্সিন’ নামক ছত্রাকভিত্তিক বিষাক্ত উপাদান।

জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ জেনা’য়ের অধ্যাপক অলিভার ওয়ের্জ বলেন, “এই বিষাক্ত উপাদাননের ‘ইমিউনোসাপ্রেসিভ’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দমিয়ে রাখার ক্ষমতা আছে এটা আগে থেকেই জানা ছিল আমাদের। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য দায়ী কোষগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে ‘গ্লিওটক্সিন’। তবে তা কীভাবে করে সেটা আমাদের জানা ছিল না।”

গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, “গবেষণার জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টিকারী ‘নিউট্রোফিলিক গ্রানুলোসাইট’ কোষকে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা ‘গ্লিওটক্সিন’য়ের সংস্পর্শে আনেন গবেষকরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রথমসারির এই কোষগুলোর কাজ হল রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু চিহ্নিত ও ধ্বংস করা।”

“রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর সংস্পর্শে আসলেই রক্তে ‘লিউকোট্রিয়েন্সেস’ নামক সংবাদবাহক উপাদান নিঃসৃত করে অন্যান্য রোগ প্রতিরোধকারী কোষকে সতর্ক করে দেয় ‘নিউট্রোফিলিক গ্রানুলোসাইট’। পর্যাপ্ত মাত্রায় রোগ প্রতিরোধকারী কোষ জমা হয়ে তারা জীবাণুকে ধ্বংস করে।”

‘সেল কেমিকল বায়োলজি’ শীর্ষক জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়।

তবে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুটি যদি ‘অ্যাসপারগিলাস ফামিগেটাস’ হয় তবে এমনটা হয় না। কারণ, ‘নিউট্রোফিলিক গ্রানুলোসাইট’ থেকে সংক্রমণের বার্তাবাহক ‘লিউকোট্রিয়েন্সবিফোর’য়ের নিঃসরণ বন্ধ করে দেয় ‘গ্লিওটক্সিন’।

ফলে সংক্রমণ অঞ্চলে পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধকারী কোষ জমা হতে পারে না। ‘

এলটিএফোর’ হাইড্রোলেজ’ নামক এনজাইমের নিঃসরণ বন্ধ করার মাধ্যমে এই কাজটি করে ‘গ্লিওটক্সিন’ নামক ‘মাইকোটক্সিন’ বা ছত্রাকভিত্তিক বিষাক্ত উপাদান।

ওয়ের্জ বলেন, “এভাবেই রোগ প্রতিরোধকারী কোষের মধ্যকার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নষ্ট হয়। ফলে জীবাণু, এ ক্ষেত্রে ছত্রাক, সহজেই বিভিন্ন কোষ ও অঙ্গে প্রবেশ করতে পারে।”

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর